রফতানি খাতে তারল্য বাড়াতে চুক্তি করল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইস্টার্ন ব্যাংক

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এক্সপোর্ট রিসিভেবল ফাইন্যান্স (আরএফএফআই) সুবিধা চালু করেছে।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এক্সপোর্ট রিসিভেবল ফাইন্যান্স (আরএফএফআই) সুবিধা চালু করেছে। এ কর্মসূচির আওতায় ব্যাংকটির বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে থাকা সুসম্পর্ককে ব্যবহার করে স্থানীয় ব্যাংকের রফতানিকারক গ্রাহকদের প্রতিযোগিতামূলক হারে অর্থায়ন সুবিধা দেয়া হবে। এ উপলক্ষে সম্প্রতি ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে মাস্টার রিসিভেবল পারচেজ এগ্রিমেন্ট (এমআরপিএ) স্বাক্ষর করেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। ফলে ইস্টার্ন ব্যাংকের রফতানিকারক গ্রাহকরা ডেফার্ড লেটার অব ক্রেডিটের (এলসি) বিপরীতে আগাম অর্থ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে নগদ অর্থের সাইকেল সংক্ষিপ্ত হবে, তহবিলের প্রবাহ বাড়বে এবং পেমেন্ট ম্যাচিউরিটির আগেই অর্থ প্রাপ্তির সুবিধা মিলবে। ফলে রফতানিকারকদের তারল্য ও চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এরই মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ক্রস-বর্ডার সাপ্লায়ার ফাইন্যান্সিং প্রোগ্রাম চালু করে, যার মাধ্যমে ডেফার্ড শর্তে রফতানি আয় প্রাপ্তিতে সহায়তা করা হচ্ছিল। নতুন আরএফএফআই কর্মসূচির মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড এখন স্থানীয় অংশীদার ব্যাংকগুলোকেও একই ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে। উদ্ভাবনী এ সমাধানটি রফতানি খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের ট্রানজেকশন ব্যাংকিংয়ের কান্ট্রি হেড লুৎফুল আরেফিন খান বলেন, ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ক্রস-বর্ডার ট্রেড ফ্লো এবং করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকিং সমাধানে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। আরএফএফআই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা রফতানি ভ্যালু চেইনের বিভিন্ন ধাপে সহায়তা আরো জোরদার করতে পারছি। ইস্টার্ন ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে আমাদের একটি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। নতুন এ কৌশলগত উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে তাদের সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’

ইস্টার্ন ব্যাংকের ট্রানজেকশন ব্যাংকিং হেড মো. জাবেদুল আলম বলেন, ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সঙ্গে এ অংশীদারত্ব আমাদের রফতানিকারকদের জন্য নতুন ও উদ্ভাবনী ট্রেড ফাইন্যান্স সমাধান নিশ্চিত করবে। সময়মতো তারল্যের জোগান দেয়ার মাধ্যমে আমরা টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরো শক্তিশালী করতে সহায়তা করছি।’

আরও